দফায় দফায় বন্যায় বিপর্যস্ত রাজারহাট, ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের মানুষ

মোস্তফা কামাল (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতির  অবনতি ঘটছে। ধরলা , ব্রহ্মপূত্র তিস্তা নদীর পানি হু হু করে বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার অনেক উপর দিয়ে প্রবাহিত 
হচ্ছে। বন্যার ফলে জেলার ১৬টি নদনদীর পানি অস্বাভাবিকহারে  বৃদ্ধি পাচ্ছে। জেলার নদ নদীর পানি বৃদ্ধিতে দিশেহারা চরাঞ্চলের মানুষ ।কয়েকদিন আগের বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই কুড়িগ্রাম কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চতুরা, রামহরি, ডারিয়ার পাড়,  পাড়ামৌলা, গাবুরহেলান সহ কয়েকটি এলাকায় অব্যাহত  ভাঙ্গনে কয়েক একর ফসলি জমি সহ প্রায় অর্ধশত বাড়ি নদী গর্ভে চলে যায় ।করোনার কারণে টানা তিনমাস ঘরে বন্দি মানুষজনের কাছে  চরম দুর্ভোগ নিয়ে এসেছে বন্যা। হাতে কাজ না থাকায় বিপাকে পরেছে এসব এলাকার মানুষ। ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন জেলা উপজেলা  প্রশাসন সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্তৃপক্ষ ।

 পরিদর্শন শেষে ভাঙন কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে ।এরই মধ্যে নতুন করে বন্যার সংকেত পেয়ে আতঙ্কে সময় পার করছে তিস্তা পাড়ের মানুষ । ইতোমধ্যে অনেকের বাড়ির উপর দিয়ে পানির স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে । তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত ও রাস্তাঘাট । চরম সঙ্কটে রয়েছে শিশু বৃদ্ধ সহ হাঁস মুরগী আর গবাদি পশু নিয়ে । অনেকের ঘরে শুকনো খাদ্যের অভাব । টানা বর্ষণ আর উজানি ঢলে দফায় দফায় বন্যা অপরদিকে  নদী ভাঙনে বিধ্বস্ত তীরবর্তী পরিবারগুলো । তার উপর করোনার কারণে চাকরি না থাকায় অনেক  মধ্যবিত্তের ঘরেও খাদ্যের ঘাটতি রয়েছে বলে জানা গেছে ।খাদ্য সংকট নিরসনে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন কিনা এ বিষয়ে ৫ নং বিদ্যানন্দ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব তাইজুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান – আমরা পানি বন্দি পরিবারের একটা তালিকা তৈরির কাজ  করছি উপর থেকে বরাদ্দ পেলে তা দ্রুত বিতরণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন
Total Page Visits: 224 - Today Page Visits: 2

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *